ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের পতাকাবাহী ২০টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ধাপে ধাপে এসব জাহাজ প্রণালীটি অতিক্রম করবে। ইতোমধ্যে অন্তত একটি পাকিস্তানি জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পার হয়েছে বলেও জানা গেছে।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ, যার মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্য পরিবহন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে এই নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই পদক্ষেপ শুধু পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক পরিস্থিতি শান্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। পাকিস্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে সীমিত আকারে কিছু দেশের জাহাজকে অনুমতি দেওয়ার নীতি নেয় তেহরান, যার অংশ হিসেবেই পাকিস্তানের জাহাজগুলোকে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক হতে পারে, তবে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ধাপে ধাপে এসব জাহাজ প্রণালীটি অতিক্রম করবে। ইতোমধ্যে অন্তত একটি পাকিস্তানি জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পার হয়েছে বলেও জানা গেছে।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ, যার মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্য পরিবহন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে এই নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই পদক্ষেপ শুধু পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক পরিস্থিতি শান্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। পাকিস্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে সীমিত আকারে কিছু দেশের জাহাজকে অনুমতি দেওয়ার নীতি নেয় তেহরান, যার অংশ হিসেবেই পাকিস্তানের জাহাজগুলোকে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক হতে পারে, তবে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক